পিরিয়ডের পর সঠিক সময় প্রেগনেন্সি প্ল্যানিং

right way for pregnancy planning and useful tips after period

Pregnancy Planning tips: সঠিক সময়ে বা সঠিক নিয়ম মেনে প্রেগনেন্সি প্ল্যান করলে কোনো প্রতিকূলতার সম্মুখীন না হয়েই আপনার জীবনে চলে আসতে পারে প্রেগনেন্সি জার্নি উপভোগ করার আনন্দের সময়টা। সময় পাল্টেছে এখন মানুষ প্রেগনেন্সি আসার পর না প্রেগনেন্সি আসার অনেক আগেই ডাক্তারের কাছে যান সুপরামর্শ নিতে। অবশ্যই এটি একটি পজিটিভ দিক। কারণ একজন ডক্টরের গাইডেন্সে প্রেগনেন্সি সম্ভাবনার কারণগুলি জানা থাকলে এই জার্নিটা খুব ইজি হয়ে যায়।

প্রেগনেন্সি প্ল্যান করার আগে এই চারটি জিনিস অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। নিয়ম মাফিক এই চারটি জিনিস ফলো করলে ন্যাচরাল পদ্ধতিতেই বেবি আসা সম্ভব।

প্রেগনেন্সি প্ল্যান টিপস : Pregnancy Planning tips

1. পিরিয়ডের প্রথম দিন থেকে ৯ দিন ছেড়ে দশতম দিন থেকে একদিন ছাড়া একদিন আন প্রটেক্টেড সহবাস করা হলো প্রেগনেন্সি প্ল্যানিং এর সঠিক নিয়ম। দিনের হিসাব গুলো ঠিকঠাক রেখে এগোতে পারলে প্রেগনেন্সি আসতে খুব একটা বেশি সময় নেয় না।

2. রুবেলা বা চিকেন পক্সের প্রভাবে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত কিনা সেটা দেখার জন্য একটা ব্লাড টেস্ট করে নেয়া উচিত প্রেগনেন্সি প্ল্যানিংয়ে আগে। যদি এই decise এর andibody না থাকে তাহলে ভ্যাকসিন নেয়াটা অবশ্যই উচিত। এবং এই ভ্যাকসিন পিরিয়ডের এক দু মাস পর থেকেই আবার প্রেগনেন্সি প্ল্যান করা যায়। যদিও সঙ্গে সঙ্গে থ্যালাসেমিয়া হিমোগ্লোবিন থাইরয়েড সুগার টেস্ট খুব ইম্পর্টেন্ট প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন – গর্ভবতী কিনা তা নির্ধারণ করবেন কিভাবে ?

3. বয়সের অনুপাতে প্রেগনেন্সি প্ল্যানিং করা যেতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে বয়স ৩০—৩৫ এর মধ্যে হলে স্বামী-স্ত্রী সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন মিলিত হল প্রেগনেন্সি চলে আসে প্রেগনেন্সি চলে আসে প্রেগনেন্সি চলে আসে।৩৫ এর ওপর বা ৪০ ছুঁই ছুঁই বা তার ওপর হলে অবশ্যই ডক্টর দেখিয়ে প্ল্যান করা ভালো। এছাড়া মেঝের অপারেশন হাই ডিজিজ বা কোন ক্রনিক ডিজিজ থাকলে আগে ডক্টর কনসাল্ট করিয়ে তারপর বেবি প্লেনের চিন্তা করা উচিত।

5. বেশি ওজন স্বামী ও স্ত্রী দুজনের পক্ষেই ক্ষতিকারক প্রেগনেন্সির জন্য। হেলদি লাইফ স্টাইল, সঠিক, উপযুক্ত খাবার খাওয়া, বিশেষ করে মশলাদার, তৈলাক্ত যত এড়িয়ে চলা যায় ততই হেল্পফুল হয় প্রপার বডিওয়েট পাওয়ার জন্য। নেশার যে কোন দ্রব্য সমান বডির জন্য লাভদায়ক নয়। এগুলোকে এড়িয়ে চলতে পারলে প্রেগনেন্সি যে কোন বাধা বিঘ্ন ছাড়াই চলে আসে সম্ভব।। এছাড়া ফলিক অ্যাসিড,ভিটামিন সাপলিমেন্ট নেয়াটাও খুব উপকারী প্রেগনেন্সি প্ল্যান করার সময় থেকে বা তার মাস তিনেক আগে থেকে।

নরমাল দৃষ্টিতে এই চারটে কারণ হলো স্বাভাবিক উপায়ে প্রেগনেন্সি আসার গুরুত্বপূর্ণ টিপস। এই সঠিক উপায় গুলি ফলো করে বেবি প্ল্যান করা ভীষণ ভাবেই প্রয়োজন স্বামী স্ত্রী র জন্য।

follow khobor dobor on google news
Follow Us on Google News

আরও পড়ুন –

Facebook
WhatsApp
Twitter
LinkedIn
Telegram
Email
Pinterest
Twitter